চাঁই সংস্কৃতি
চাঁই সংস্কৃতি আজকে আমরা চাঁই সংস্কৃতি নিয়ে চর্চা করবো। আমরা যদি আজ থেকে পঞ্চাশ বছর পিছিয়ে দেখি, তবে দেখতে পাবো চাঁই সমাজ যথেষ্ট রক্ষণশীল সমাজ হিসেবে বিবেচিত ছিল। চাঁই সমাজে স্বসাশিত বিচার ব্যবস্থা ছিল। প্রতিটি চাঁই মহল্লায় একজন করে চাঁই মোড়ল থাকতেন। ছোটখাটো ঝামেলা এই মড়লরাই মিটিয়ে নিতেন। এই মোড়লরা চাঁই সমাজে অত্যন্ত সম্মানের মর্যাদা পেতেন। এক গ্রামের সঙ্গে অন্য গ্রামের বিবাদ হলে বিরাট বিচার ব্যবস্থা হতো। এই বিচার ব্যবস্থা পরিচালনা করতে পাঁচ গ্রামের মোড়লদের ডাকা হতো, তাতেও যদি মীমাংসা নাহয়, তবে বাইশ গ্রামের মোড়লদের ডেকে বিচার করা হতো আর একেই বলাহতো বাইশি বিচার ব্যবস্থা, তাতেও যদি সমস্যার সমাধান না বেরোয় তবে ৮৪ গ্রামের মোড়লদের ডাকা হতো এবং বেশ কয়েকদিন ধরে বিচার প্রক্রিয়া চলতো আর একে বলাহতো চুরাশিয়া বিচার ব্যবস্থা। তখনকার চাঁইরা বাস্তু দেবতাকে খুবই ভয় করতো। পাঁচ পীরীয়া বা গোঁসাই ছিল চাঁই সমাজের পরম আরাধ্য দেবতা। একেই বাস্তু দেবতা বলা হতো। চাঁই সমাজের সকল শুভকাজে এই গোঁসাই পূজিত হতো। দুটি চাঁই পরিবারের গোঁসাই একই রকম না-থাকলে বৈবাহিক সম্পর্ক হতো না। তখনকার...